হিরো আলমের জীবন কাহিনী!

আশরাফুল আলম সাঈদ থেকেই উৎপত্তি হিরো আলমের। বাংলা ১৩৮৭ সনের ১লা ভাদ্র মাসের প্রথম প্রহরে বগুড়ার প্রত্যন্ত এক গ্রামে জন্ম হয় বাংলার সেরা নায়ক হিরো আলমের। ভোরে জন্মগ্রহণ করায় সকাল সকাল তার চেহারা দেখে সকলে কান্নায় হাবুডুবু খাওয়া শুরু করে। একটা মানুষ এতো কালো কিভাবে হতে পারে! তাই এ বিষয়ে হিরো আলমের মা কে সন্দেহ করে তার গ্রামের লোকেরা। সেই দিন কষ্ট পেয়ে তার মা বলেছিলেন “আমার ছেলে বড় হয়ে একদিন পৃথিবীর সেরা নায়কদের মধ্যে একজন হবে। সোনার টুকরা আমার ছেলেকে শুধু বাংলাদেশে না পৃথিবীর সবাই চিনবে।”সেই থেকেই আশরাফুল আলম সাঈদ এর হিরো আলম হওয়ার যাত্রা শুরু।

শৈশবে হিরো আলমঃ

শৈশবে তিনি অনেক সাহসী ছেলে ছিলো। পড়ালেখা তার ভালো লাগতো না। আর ইংলিশ তো ছিলো তার চোখের বিষ। একদিন তাকে তার ম্যাডাম তাকে ট্রান্সলেট করতে বলে “আমার একটি গরু আছে” তার জবাবে গ্রেট হিরো আলম বলেছিলো “I am a cow”. এমনি সুন্দর সুন্দর ইংলিশ বলে প্রায়ই তিনি তার শিক্ষককে অজ্ঞান করে ফেলতেন!

বিশ্ব খ্যাতি অর্জনে হিরো আলমঃ

অভিনয় করার ইচ্ছে হিরো আলমের সেই ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু কখনো অভিনয়ে সুযোগ না পাওয়ায় এক পর্যায়ে হতাশায় পরে যায় হিরো আলম। পরবর্তিতে নিজেই ২০১১ সালে প্রোডাকশন হাউজ খুলে বসেন তিনি। তার প্রোডাকশন হাউজ এর নাম “সকাল সন্ধ্যা ক্যাবল”।
সেখানে তিনি প্রথমে ডিভিডি কেসেটের মাধ্যমে তার অসাধারণ ভিডিও সংরক্ষণ করেন। একের পর এক অসাধান ভিডিও বানাতে থাকেন তিনি কিন্তু কেউ তাকে পাত্তা না দেওয়ায় কোন কেসেটই বিক্রি হতো না। অত:পর ২০১৬ সালে প্রথম তার একটি ভিডিও ফেসবুকে আপ্লোড দিয়ে দেয় তার ফ্যানেরা। সেই থেকেই দেশের মানুষ ঝেঁপে পরে হিরো আলমের ভিডিও দেখতে। দেশে বিনোদনের যখন প্রচুর অভাব ঠিক তখনি উদ্ভব হয় গ্রেট হিরো আলমের। মানুষ জন তার ভিডিও গান আর নাচ দেখে এতোই মুগ্ধা হয় যে এতে দেশের আত্মহত্যার সংখ্যা বেড়ে যায়। যখন কারো আত্মহত্যা করতে ইচ্ছা হয় তখন সে হিরো আলমের ভিডিও দেখে। দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে বিশাল ভূমিকা পালন করে সে। তার নাচ এতোটাই অসাধারণ ছিলো যে মানুষজন তার নাচের সাথে মাইকেল জ্যাকসনের তুলনা করতে শুরু করে। এভাবেই দেশ থেকে বিদেশে তার ভিডিও সং ভাইরাল হতে শুরু করে। আস্তে আস্তে সারা পৃথিবীতে খ্যাতি অর্জন করে হিরো আলম। তার প্রশংসার বাণী প্রকাশ করে দেশ বিদেশের বিভিন্ন ট্রল পেইজের এডমিনেরা।

Leave a Reply